নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ১০ মে ২০২৬ | 44 বার পঠিত | প্রিন্ট
নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক খাতের কোম্পানি ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি । প্রকাশিত প্রতিবেদনে কোম্পানিটির মুনাফা ও শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বৃদ্ধির তথ্য উঠে এসেছে। তবে একই সময়ে পরিচালন নগদ প্রবাহে নেতিবাচক অবস্থান দেখা গেছে। কোম্পানি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৬১ লাখ ৬৬ হাজার ৮২১ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১৫ কোটি ৬১ লাখ ৯ হাজার ৬১ টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।
এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৭ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ৭৭ পয়সা।
প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সুদ আয় হয়েছে ১৮৮ কোটি ৭ লাখ ৮ হাজার ৮৬ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৯৭ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার ২৮৮ টাকা। অন্যদিকে সুদ ব্যয় কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৮ কোটি ৩২ লাখ ৪১ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫৯ কোটি ৯৪ লাখ ২ হাজার ৭৯৬ টাকা। ফলে নিট সুদ আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ কোটি ৩৭ লাখ ৯৪ হাজার ৮৬ টাকা।
একই সময়ে কমিশন, এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ থেকে কোম্পানিটির আয় হয়েছে ৩ কোটি ৩২ লাখ ১৫ হাজার ৩৩২ টাকা। এছাড়া বিনিয়োগ থেকে আয় হয়েছে ১৫ কোটি ৮৬ লাখ ৪২ হাজার ২৩ টাকা।
প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির মোট পরিচালন আয় দাঁড়িয়েছে ৬৩ কোটি ৯১ লাখ ৮৩১ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬৪ কোটি ৮ লাখ ৯৯৯ টাকা।
অন্যদিকে বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় কোম্পানিটির পরিচালন ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৬৪ লাখ ৭ হাজার ৪৬৫ টাকা। ফলে পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৪৯ কোটি ১৭ লাখ ৯ হাজার ১৭ টাকা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪৫ কোটি ৮৭ লাখ ৬৭ হাজার ৯৬৭ টাকা।
প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির প্রভিশন-পূর্ব মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৩৮ কোটি ৫৬ লাখ ৪ হাজার ৮৪৫ টাকা। এ সময়ে বিভিন্ন খাতে মোট প্রভিশন রাখা হয়েছে ১৮ কোটি ৭৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩৬ টাকা। ফলে কর-পূর্ব মুনাফা হয়েছে ১৯ কোটি ৬৮ লাখ ২৫ হাজার ১৯ টাকা।
এদিকে, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫০ টাকা ৫১ পয়সা, যা ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ছিল ৪৯ টাকা ৫৫ পয়সা।
তবে আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির পরিচালন কার্যক্রম থেকে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ঋণাত্মক হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ে এনওসিএফপিএস দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ১ টাকা ৪৮ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৫ টাকা ৬০ পয়সা।
কোম্পানিটির মোট সম্পদের পরিমাণ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৩ লাখ ৮১ হাজার ৭১ টাকা, যা ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ছিল ৬ হাজার ৮৭১ কোটি ৮৫ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৪ টাকা।
অন্যদিকে একই সময়ে শেয়ারহোল্ডারদের ইক্যুইটি কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪ কোটি ৭৮ লাখ ২৩ হাজার ৮০৭ টাকা, যা আগের বছরের শেষে ছিল ১ হাজার ৫ কোটি ১৬ লাখ ৫৬ হাজার ৯৮৬ টাকা।
Posted ৬:২৫ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১০ মে ২০২৬
sharebazar24 | sajed khan
.
.